আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মতিন ও তাঁর ছেলেরা বিএনপি নেতা টিপু সুলতানকে গুরুতর হামলা করে হত্যার চেষ্টা করে

ছবি: আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মতিন

সাবেক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মতিন এবং তার ছেলে আবু বক্কর সোহাগ ও বাবর চৌধুরীসহ অজ্ঞাত ৫/৬ জন মিলে বিএনপি নেতা এবং সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি  টিপু সুলতানের উপর হামলা করে। টিপুকে হত্যার চেষ্টা করে আবদুল মতিন রড দিয়ে মাথায় একাধিক আঘাত করে।

 টিপু সুলতানের ভাই সবুজ তার বড় ভাইকে বাঁচাতে গেলে সবুজকে আব্দুল মতিন রড দিয়ে মেরে রক্তাক্ত করে। বাবর চৌধুরী রামদা দিয়ে সবুজের মুখের মধ্যে কোপ মারে। সোহাগ মোটা কাঠ দিয়ে বাড়ি মেরে মাথা রক্তাক্ত করে। সবুজের মুখে ১০/১২ সেলাই এবং মাথায় ৫/৬ সেলাই দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা দুইজনকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। সবুজের অবস্থা আশংকাজনক, তাকে অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলার সরকারি হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক।

এই ঘটনায় চাটখিল থানায় এজাহার করা হয়েছে। বাদী টিপু সুলতান অভিযোগ করেন, বিএনপির সাবেক সভাপতি মোরশেদ আলম, আওয়ামী লীগের নেতা আবদুল মতিন থেকে বড় অংকের টাকা খেয়ে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে। আবদুল মতিন ৫ আগস্টের পর থেকে পলাতক ছিলো। ঈদের আগের দিন বাড়িতে আসে এবং সাবেক আওয়ামী লীগের কর্মীদের একত্রিত করে এলাকায় অস্রের মোহরা দিচ্ছে। তার ছেলে সোহাগ এখন এলাকার বিএনপি নেতাদের ম্যানেজ করে আতংক সৃষ্টি করছে। আজ বিকালে আব্দুল মতিন, তার ছেলে বাবর ও সোহাগ এবং অজ্ঞাত ৫/৬ জন নিয়ে অতর্কিত হামলা করে।  টিপুকে হত্যার চেষ্টার উদ্দেশ্যে এই হামলা করেছে বলে এলাকাবাসী জানান। হামলার পরে টিপুর বাড়ির বাউন্ডারিতে হামলা করে। 

চাটখিলের ২ নং রামনারায়ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও চাটখিল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লিয়াকত আলী ভুট্ট বলেন, আব্দুল মতিন গত ২৪ সালের নির্বাচনের ৭ দিন আগে আমার উপর হামলা করে আমাকে রক্তাক্ত করে। এখন আমাদের বিএনপি নেতা টিপু সুলতান ও তাঁর ভাই সবুজকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছি।