লাখ-লাখ মানুষের স্লোগানে মুখরিত মিছিল যাচ্ছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অভিমুখে। ফলে, বিভিন্ন গন্তব্যের যানবাহন চলছে ধীর গতিতে। এমনকি শাহবাগ ও আশপাশে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
শনিবার বিকেল ৩টার দিকে মূল কর্মসূচি শুরু হয়। কিন্তু, সকাল থেকেই লাখো জনতা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সব গেট দিয়ে সমাবেশ স্থলে আসতে শুরু করেন। তাদের হাতে নানা প্ল্যাকার্ড, ব্যানার আর ফিলিস্তিনের পতাকা।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের দাবিতে ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হয়েছেন লাখো মানুষ।
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের সব দল, মত, চিন্তা-দর্শনের মানুষ মজলুম ফিলিস্তিন ও মজলুম গাজার পাশে আছে, সহাবস্থান করছে।
আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, ‘আমরা এক কাতারে দাঁড়িয়ে আজ বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে দিতে চাই, আমাদের মধ্যে বিভিন্ন চিন্তা, মতগত পার্থক্য, ভিন্নতা থাকতে পারে; কিন্তু মজলুম ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা, ভূমির অধিকারের দাবিতে আমরা প্রত্যেকটা বাংলাদেশের মানুষ ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আমরা প্রত্যেকে তাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছি।’
ফেসবুকে ‘মার্চ ফর গাজা’ নামে একটি ইভেন্ট পেজ তৈরি করেছে প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট, বাংলাদেশ। পেজ থেকে পাঁচটি পয়েন্ট দিয়ে সোহরাওয়ার্দীতে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে—বাংলামোটর থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের রমনা গেট দিয়ে, কাকরাইল মোড় থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট গেট দিয়ে, জিরো পয়েন্ট থেকে দোয়েল চত্বর হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টিএসসি গেট দিয়ে, বকশীবাজার মোড় থেকে শহীদ মিনার হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টিএসসি গেট দিয়ে এবং নীলক্ষেত মোড় থেকে ভিসি চত্বর হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টিএসসি গেট দিয়ে।
সমাবেশে একটি ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়, সেখানে বিশ্ববাসীর কাছে আবেদন করা হয় এবং মুসলিম দেশের প্রতি বিভিন্ন দাবি জানানো হয়।
একইসাথে আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরায়েলের বর্বর গণহত্যার বিচার দাবি করা হয়েছে সমাবেশে।